বিতর্কিত চাকমা ও-কার বিশ্লেষণ ও একটি প্রস্তাবনা

প্রচলিত ওয়া-ফলা যু্ক্ত করে উপরে উবরতুল্যে(অ-কার) দিয়ে সৃষ্ট ও-কার ও বচ্ছি-উ বর্ণটির subsricpt রূপটি যুক্ত করে উপরে উবরতুল্যে(অ-কার) দিয়ে সৃষ্ট ও-কার দুটি চাকমা লেখায় হযবরল অবস্থার সৃষ্টি করেছে। অথচ উক্ত চিহ্নদ্বয়ে নেই কোনো প্রাচীনতার ছাপ, নেই ‘ও ধ্বনি’ সৃষ্টির যৌক্তিকতা  এবং নেই ব্যবহার উপযোগীতা। নিচে বিতর্কিত চাকমা ও-কার বিশ্লেষণ  ও একটি প্রস্তাবনা পেশ করা হলো-

ওয়া-ফলা যুক্ত উবরতুল্যে চিহ্ন ( 𑄃𑄮 ):

বর্তমানে অনেকে ‘ওয়া-ফলা যুক্ত উবরতুল্যে’ চিহ্নকে ও-কার না বলে ‘ওয়া বাঝেই উবরতুল্যে’ বলতে প্রয়াস পাচ্ছেন। ভাববার বিষয় হলো- বিশ্লেষণে ‘ওয়া বাঝেই উবরতুল্যে’ দ্বারা wô বা ওঅ ধ্বনি পাওয়া যায়, ‘ও’ ধ্বনি পাওয়া যায় না। 𑄇-তে ওয়া-ফলা (𑄱) যোগ করলে হয়-

𑄇 + 𑄱 = 𑄇𑄱 (ক্বা/ক্ওয়া) : 𑄖𑄇𑄴𑄱 (tākwā), 𑄇𑄟𑄴𑄱 (kāmmwā), 𑄟𑄨𑄣𑄬𑄝𑄱 (milebwā)

আবার, 𑄇-তে ওয়া-ফলা যুক্ত করে উবরতুল্যে (𑄧) প্রয়োগ করলে দাঁড়ায়-

𑄇 + 𑄱 + 𑄧 = 𑄇𑄮 (ক্ব/ক্ওঅ) : 𑄖𑄇𑄴𑄮 (takwô), 𑄇𑄟𑄴𑄮 (kammwô), 𑄟𑄨𑄣𑄬𑄝𑄮 (milebwô)

উপরোল্লেখিত, ওয়া/wā যুক্ত শব্দগুলো বর্তমান চাকমা ভাষায় সেভাবে উচ্চারিত হয় না (গঝা-গুত্থি বিশেষে গুটিকয়েক লোক ব্যতীত), ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে উক্ত ওয়া/wā যু্ক্ত শব্দগুলো বর্তমান চাকমা ভাষায় ওঅ/wô স্বরে উচ্চারিত হচ্ছে। বর্তমানে ‘তাক্ওআ’ থেকে ‘তাক্ব/তাক্ওঅ’, ‘কাম্ওআ’ থেকে ‘কাম্ব/কাম্ওঅ’, ‘মিলেব্ওয়া’ থেকে মিলেব্ওঅ’ ধ্বনিতে পরিবর্তন হয়েছে। অর্থাৎ, উক্ত শব্দগুলোতে স্বরধ্বনি ‘আ’ থেকে ‘অ’ ধ্বনির রূপ গ্রহণ করেছে। ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে এটিকে স্বরসংগতি বলা হয়।

ওঅ/wô ধ্বনিটি ‘ও’ ধ্বনির কাছাকাছি উচ্চারিত হওয়ায় নতুবা ওঅ/wô ধ্বনি প্রকাশের প্রয়োজনের কথা না ভাবায় হয়তো উক্ত চিহ্নটিকে ও-ধ্বনি নির্দেশক চিহ্ন বা ও-কার হিসেবে ব্যবহারের প্রচলন শুরু করেছিলেন চাকমা লিপিকারেরা। সে যাই হোক, আধুনিক ভাষা বিজ্ঞানে উক্ত ধ্বনি দুটিকে আলাদা করে লিখবার ব্যবস্থা দাবি রাখে। সঙ্গত কারণে ‘ওয়া বাঝেই উবরতুল্যে’ চিহ্নটি ও-ধ্বনির জন্য ব্যবহার না করে ওঅ/wô ধ্বনির জন্য ব্যবহার করা সমীচীন হবে। ওঅ/wô ধ্বনিযুক্ত শব্দ চাকমা ভাষায় অনেক রয়েছে।

বচ্ছি-উ যুক্ত উবরতুল্যে চিহ্ন ( 𑄃𑄳𑄅𑄧 ) :

ও-ধ্বনি নির্দেশক চিহ্ন হিসেবে “বচ্ছি-উ বাঝেই উবরতুল্যে” ব্যবহারের যৌক্তিকতা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মিজোরামের জনৈক চাকমা ভাষা গবেষক আমাকে বাংলা ব্যাকরণের ‘সন্ধি’ সম্বন্ধে আলোকপাত করেন। অর্থাৎ, সন্ধির নিয়মে অ + উ = ও ধ্বনি সৃষ্টির উদাহরণ প্রদান করেন। একটি সহজ উদাহরণ হলো: প্রশ্ন + উত্তর = প্রশ্নোত্তর। তবে, সন্ধির নিয়মে কোনো ধ্বনির চিহ্ন তৈরির নিয়ম আছে বলে আমি জ্ঞাত নয়। অপর একজন ভারতীয় চাকমা ভাষা গবেষককে একই প্রশ্ন করা হলে তিনি ১৯০৯ সালে প্রকাশিত সতীশ চন্দ্র ঘোষ কর্তৃক সম্পাদিত “চাকমা জাতি” বইটির রেফারেন্স প্রদান করে বলেন- “তবে এর কোনো যুক্তি-তুক্তি আছে কিনা জানি না।”

উক্ত ও-কারটিতে অ-ধ্বনির জন্য ‘উবরতুল্যে/অ-কার(𑄧)’ ব্যবহার করা হলেও কেন উ-ধ্বনির জন্য ‘একতান/উ-কার(𑄪)’ ব্যবহার করা হয় না তা আমার বোধগম্য নয়। অর্থৎ, একতান/উ-কার(𑄪) না হয়ে বচ্ছি-উ এর Subscript রূপটি কেন ব্যবহার করা হয়? যদি তাই হতো তাহলে ও-কারের রূপটি দাঁড়াতো- 𑄪 + 𑄧 =  𑄪𑄧। মায়ানমার বর্ণমালায় এ-কার ও আ-কারের সমন্বয়ে একটি চিহ্ন রয়েছে, যেটির transcript করা হয় o: । আবার ই-কার ও উ-কারের সমন্বয়ে আরেকটি চিহ্ন রয়েছে, যেটির transcript করা হয় ou। জানা যায়, তাদের লিখিতরূপ আর কথ্যরূপের মধ্যে অনেক পার্থক্য থাকে অর্থাৎ উচ্চারণের সময় লিখিতরূপ প্রায় সময় উহ্য থাকে। যেমন- উপরোক্ত o: ধ্বনির চিহ্নটিকে উচ্চারণ করা হয় অনেকটা ‘অ’ এর মতো, আর ou ধ্বনির চিহ্নটিকে উচ্চারণ করা হয় অনেকটা ‘ও’ এর মতো। হিন্দি ভাষায় ব্যবহৃত দেবনাগরী লিপির ‘অ’ এর উচ্চারণ কিন্তু বাংলার ‘অ’ এর মতো নয়। সে যাই হোক, এখানে আলোচ্য বিষয়টি হলো- যৌগিক ‘ও-কার’ বিশ্লেষণ করা। মায়ানমার বর্ণমালায় যে ও-কারটি রয়েছে সেটি বাংলা ও দেবনাগরী লিপির ও-কারের ন্যায়, যদিও তারা সেটি বাংলা ও হিন্দি ভাষার মতো করে উচ্চারণ না করে নিজস্ব ধাঁচে উচ্চারণ করে থাকে। আবার, যেটি প্রায় ‘ও’ এর মতো করে উচ্চারণ করে উক্ত চিহ্নটির গঠন হচ্ছে- ই + উ = ও । উল্লেখ্য যে, সেখানে ই-এর জন্য ই-কার এবং উ-এর জন্য উ-কার লিখা হয়ে থাকে। অর্থাৎ, এখানে একটি স্বরচিহ্নের সাথে অন্য একটি স্বরচিহ্নের সমন্বয়ে ভিন্ন একটি ধ্বনির চিহ্ন সৃষ্টি করা হয়েছে। অপরদিকে, এখানে আলোচ্য চাকমা ও-কারটির গঠন হলো- স্বরচিহ্ন + স্বরবর্ণের সাবস্ক্রিপ্ট = ভিন্ন একটি স্বরচিহ্ন। সন্ধির নিয়মে যদি কথিত এই ও-কারটির সৃষ্টি হয়ে থাকে তাহলে সেটিকে আবার “বচ্ছি-উ বাঝেই উবরতুল্যে” বলা যাবে না, কারণ উ + অ মিলে ‘ও’ হয় না, ‘ব্অ’ হয়। যেমন- সু + অল্প = স্বল্প, অনু + অয় = অন্বয় ইত্যাদি।

প্রাচীন ও-কারের অস্তিত্ব স্বীকার:

বাংলাদেশ ও ভারতে দুই ধরনের ও-কারের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। বর্তমানে বাংলাদেশে কোনো বর্ণের নিচে ওয়া-ফলা যু্ক্ত করে উপরে উবরতুল্যে(অ-কার) দিয়ে সৃষ্ট ও-কার ব্যবহার বেশি হচ্ছে, যেমন- 𑄇𑄮। অপরদিকে ভারতে ও-কার হিসেবে কোনো বর্ণের নিচে বচ্ছি-উ বর্ণটির subsricpt রূপটি যুক্ত করে উপরে উবরতুল্যে(অ-কার) দিয়ে কাজ সারা হচ্ছে, যেমন- 𑄇𑄳𑄅𑄧।

তবে, চাকমা হরফে লিখিত প্রাচীন পুঁথি “সাঙেচ ফ্লু ত্রা”টিতে ভিন্ন এক ধরনের ও-কারের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তালপাতায় অনুলিপিকৃত “সাঙেচ ফ্লু ত্রা”র ৪নং পৃষ্ঠায় ‍দুটি শব্দ স্পষ্টাকারে লেখা আছে- 𑄥𑄬𑅅𑄟𑄬𑅅𑄢𑄫𑄣𑄁 (সোমোরূলাং) ও 𑄞𑄉𑄰𑄤𑄖𑄬𑅅 (ভাগৈওয়াতো) অর্থাৎ, ভাগাওয়াতো। গবেষকদের মতে, আগরতারার (যার একটি অংশ ‘সাঙেচ ফ্লু ত্রা”) ভাষা বিকৃত পালি ও বার্মিজ ভাষায় লিখিত। ১৯০৩ সালে প্রকাশিত গ্রিয়ারসনের “Linguistic Survey of India, Vol-V, Part-I”  বইটিতে ও-কারটি একই রয়েছে𑅁 উল্লেখ্য যে, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ কর্তৃক ২০১৭ সালে প্রকাশিত ১ম শ্রেণির “ম’ চাকমা বই”য়ে ৫২নং পৃষ্ঠায় ‘পাঠ-৪০’ এ “ওয়া লই উবরতুল্যে” এর সাথে শ্ল্যাশ দিয়ে প্রাচীন ও-কারটি (𑄬𑅅) লিখা হয়েছে: 𑄤 𑄣𑄧𑄃𑄨 𑄃𑄪𑄝𑄧𑄢𑄴𑄖𑄪𑄣𑄳𑄠 – 𑄮 / ে𑅅 (𑄃𑄮-𑄇𑄢𑄴)𑅁  নিচের চিত্রগুলো দেখুন।

তালপাতায় অনুলিপিকৃত “সাঙেচ ফ্লু ত্রা”র ৪নং পৃষ্ঠা

Linguistic Survey of India, Vol-V, Part-I, Page- 322

 

Wa loi ubortullye
ম’ চাকমা বই, ১ম শ্রেণি, পাঠ-৪০, পৃষ্ঠা-৫২ [এনসিটিবি, বাংলাদেশ]

তালপাতায় অনুলিপিকৃত “সাঙেচ ফ্লু ত্রা”তে এ-কার ও আ-কার (ধেলদ্যে-আ মাজারা) এর সমন্বয়ে ও-কারের কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে, যা ভারতীয় লিপির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এই সূত্রে, তরুন ভাষা গবেষক বিজয়গিরি চাকমা ও দিনেশরত্ন প্রভাকর সিদ্ধার্থ কর্তৃক প্রণীত “চাকমা ভাষা গবেষণা ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন-১” এ অন্যান্য ভারতীয় লিপির সাথে চাকমা লিপিতে লেখা হয়েছে- 𑅂 𑄚𑄟𑄬𑅅 𑄖𑄥𑄳𑄥 𑄞𑄉𑄤𑄖𑄬𑅅 𑄃𑄢𑄦𑄖𑄬𑅅 𑄥𑄟𑄳𑄟𑅅𑄥𑄟𑄳𑄝𑄪𑄘𑄳𑄙𑄥𑄳𑄥 𑅂

চাকমা ভাষা গবেষণা ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন-১, পৃষ্ঠা-৬৬
চাকমা ভাষা গবেষণা ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন-১, পৃষ্ঠা-৬৬
চাকমা ভাষা গবেষণা ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন-১, পৃষ্ঠা-৬৮
চাকমা ভাষা গবেষণা ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন-১, পৃষ্ঠা-৬৮

প্রাচীন ও-কার ব্যবহারের যৌক্তিকতা ও প্রস্তাবনা:

“ওয়া বাঝেই উবরতুল্য”’ ও “বচ্ছি-উ বাঝেই উবরতুল্যে” চিহ্নদ্বয় এলাকা বা স্থানবিশেষে ও-কার হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসলেও ধ্বনিতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে আমরা দেখতে পেয়েছি- ‘ও’ ধ্বনি সৃষ্টিতে উক্ত চিহ্নদ্বয়ে অসংগতি ও ঘাটতি রয়েছে। এছাড়াও “ওয়া বাঝেই উবরতুল্যে” ও “বচ্ছি-উ বাঝেই উবরতুল্যে” চিহ্নগুলোর সাহায্যে ও-কার যুক্ত শব্দ, ফলাযুক্ত শব্দ ও যুক্তাক্ষর লিখতে গেলে অসুবিধায় পড়তে হয়। যেমন- ক্বো/Kwo এর লিখিতরূপ দিতে গেলে উপরে নিচে জায়গা দখল করে নেই, এতে লাইন স্পেসিং অনেক বেড়ে যায়; এছাড়াও বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ার সম্ভাবনা থাকে কারণ ‘ওয়া-ফলা’ আর কথিত ও-কারের নিচের ‘ওয়া’ অংশ একই। যেমন- 𑄇𑄳𑄤𑄮 । আর যদি “বচ্ছি-উ বাঝেই উবরতুল্যে” দিয়ে ক্বো/Kwo লিখার চেষ্টা করি তাতেও লাইন স্পেসিং বেড়ে যাবে এবং সৌন্দর্য নষ্ট হবে। যেমন- 𑄇𑄳𑄤𑄳𑄅𑄧 । অপরদিকে যদি প্রাচীন ও-কার দিয়ে ক্বো/Kwo লিখি তাহলে এতে কোনো প্রকার অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় না বরঞ্চ সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। যেমন- 𑄇𑄳𑄤𑄬𑅅 । “ওয়া বাঝেই উবরতুল্য”, “বচ্ছি-উ বাঝেই উবরতুল্যে” ও প্রাচীন ও-কারের ব্যবহার করে কয়েকটি শব্দ লিখা হলো-

দ্বোর : 𑄘𑄮𑄢𑄴, 𑄘𑄳𑄅𑄧𑄢𑄴, 𑄘𑄳𑄤𑄬𑅅𑄢𑄴

স্বোত (স্বাদ) : 𑄥𑄳𑄤𑄮𑄖𑄴, 𑄥𑄳𑄤𑄳𑄅𑄧𑄖𑄴, 𑄥𑄳𑄤𑄬𑅅𑄖𑄴

ক্বোজলি : 𑄇𑄳𑄤𑄮𑄎𑄧𑄣𑄨, 𑄇𑄳𑄤𑄳𑄅𑄧𑄎𑄧𑄣𑄨, 𑄇𑄳𑄤𑄬𑅅𑄎𑄧𑄣𑄨

জ্যোতি : 𑄎𑄳𑄠𑄮𑄖𑄨, 𑄎𑄳𑄠𑄳𑄅𑄧𑄖𑄨, 𑄎𑄳𑄠𑄬𑅅𑄖𑄨

স্ট্রোক : 𑄥𑄳𑄑𑄳𑄢𑄮𑄇𑄴, 𑄥𑄳𑄑𑄳𑄢𑄳𑄅𑄧𑄇𑄴, 𑄥𑄳𑄑𑄳𑄢𑄬𑅅𑄇𑄴

মাইক্রো : 𑄟𑄭𑄇𑄳𑄢𑄮, 𑄟𑄭𑄇𑄳𑄢𑄳𑄅𑄧, 𑄟𑄭𑄇𑄳𑄢𑄬𑅅

দেখুন, উপরোক্ত শব্দগুলোতে কোন ও-কারটি ব্যবহার করে সুন্দর, সাবলীল ও যুক্তিপূর্ণ লাগছে? আমার মতে, প্রাচীন ও-কারটি বেশ সুন্দর, সাবলীল, স্পষ্ট ও যুক্তিপূর্ণ মনে হয়। সেহেতু, ও-কার হিসেবে প্রাচীন ও-কারটি ব্যবহারের জন্য প্রস্তাব রাখছি।

তথ্য সহায়তা:
১। শিয়াল্যা চাকমা: সাঙেচ ফ্লু ত্রা, ১৮৬৮
২। ড. গ্রিয়ারসন: Linguistic Survey of India, Vol-V, Part-I, 1903
৩। এনসিটিবি, বাংলাদেশ: ম’ চাকমা বই, ১ম শ্রেণি
৪। বিজয়গিরি চাকমা ও দিনেশরত্ন: চাকমা ভাষা গবেষণা ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন-১

লেখক: সুজন চাকমা (জুম্মধন)

Spread the love
RannyePhul

Explore Chakma Literature, Culture & History

https://rannyephul.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *